শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০১৪

জাহিলিয়াতের মৃত্যু হল...

মুসনাদে আহমাদ এবং তাবারানিতে বিশুদ্ধ একটি হাদিস উল্লেখিত আছে। রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছিলেনঃ

من مات بغير امام مات ميتة جاهلية

“যে ব্যক্তি ইমাম (খলিফা) ছাড়া মারা গেল, তার মৃত্যু হল জাহিলিয়াতের মধ্যেই”

ইমাম আহমাদ ইবন হানবাল (র) কে জিজ্ঞাস করা হল এই হাদিসের ব্যাপারে। উনি বললেন, “তোমরা ‘ইমাম’ (খলিফা) কাকে বলে তা জান? ইমাম হল সেই জন যাকে ঘিরে পুরো উম্মাহ ঐক্যবদ্ধ হবে”

তাই খিলাফাহ দ্বন্দ্ব তৈরি করবে না, বরং সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করবে।
ইসলামের সাথে কুফরের আদর্শিক সংগ্রাম সেই হাবিল কাবিলের সময় থেকেই, এবং কিয়ামত পর্যন্তই তা থাকবে। বর্তমানে নেতৃত্ব দেয়া পুঁজিবাদী সভ্যতার সাথে ইসলামের সংঘর্ষ বুঝতে হলে দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের ফ্রেমওয়ার্ক আমাদেরকে বুঝতে হবে।

পশ্চিমা সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখা এবং সেই সাথে ইসলামী খিলাফতের মাধ্যমে ইসলামী সভ্যতার উত্থানকে ঠেকানোর জন্য আদর্শিক পশ্চিমা কুফর শক্তি অনেকগুলো ক্ষেত্রে ইসলামের সাথে দ্বন্দ্বে লিপ্ত আছে। এই দ্বন্দ্বের ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে, বুদ্ধিবৃত্তিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক প্রভৃতি।

আজকে বুদ্ধিবৃত্তিক দ্বন্দ্বে তাদের পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরা হল।

১. গণমাধ্যমের উপর প্রভাব বিস্তার করে পুঁজিবাদী আদর্শের স্বার্থে প্রচারণা চালানো।

২. জীবন সম্পর্কে পশ্চিমা ধ্যান ধারণা তৈরি, ইসলামিক সভ্যতার ব্যাপারে হীনমন্যতা তৈরি করা, ইসলামের ইতিহাস বিকৃত করার লক্ষ্যে পশ্চিমা ধাঁচে সিলেবাস প্রণয়ন করা।

(ওরিয়েন্টালিস্টদের লেখা ইতিহাস পড়ে মুসলিমদের এক বিরাট অংশ ইসলামী সভ্যতার স্বর্ণযুগকে রাজতন্ত্র বা স্বৈরতন্ত্র মনে করে)

৩. পশ্চিমাদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা।

(লেবাননে AIUB বা American International University Of Beirut স্থাপনের মাধ্যমে কুফর শক্তি খিলাফত ধ্বংসে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে)

৪. পশ্চিমা জীবনব্যাবস্থা এবং মূল্যবোধের প্রতি আহবানকারী বিভিন্ন দল তৈরি করা, যারা পশ্চিমাদের আশীর্বাদে বেঁচে থাকে।

(BNP, BAL......)

৫. তাদের প্রোপাগান্ডায়, শিক্ষিত, এলিট শ্রেণী তৈরি করে জনগণের সামনে তাদেরকে চিন্তাশীল হিসেবে উপস্থাপন করা। এভাবে তাদেরকে মুসলিম উম্মাহর কন্ঠস্বর হিসেবে আখ্যা দেয়া।

(আওয়ামী বুদ্ধিজীবী তো আছেই, সেই সাথে বি এন পি পন্থী, আসিফ নজরুল, মাহফুয উল্ল্যাহ, এরাও কম যায়না)

৬. বিভিন্ন বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে, তাদের রাজনৈতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দালাল তৈরি করা, গুপ্তচর তৈরি করা।

(ড. কামাল বোধহয় এরকমই একজন, এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের একজন দাঁড়িওয়ালা অধ্যাপকও এই কাতারে পড়েন, পশ্চিমাদের পা চাটা সবচেয়ে নিষ্ঠাবান গোলামদের একজন)

৭. বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, সেন্টার তৈরি করে তাদের চিন্তা ভাবনা, কৃষ্টি কালচার প্রচার করা, উপস্থাপন করা, এবং এগুলোর পিছনে অর্থ ব্যায় করা।

(খিলাফত ধ্বংসের সময়েও কুফর শক্তি, সাইন্স ক্লাব, ডিবেট ক্লাব, হিউম্যানিটারিয়ান ক্লাবের মাধ্যমে কুফর আক্বীদাহ, উম্মাহর মধ্যে প্রচলন ঘটায়। পশ্চিমাদের চিন্তার দাসত্ব করা অনেক নষ্ট প্যান্টের রোমিওদের আমাদের আশেপাশে আজও দেখা যায়)

৮. আরবী ভাষাকে জনগণের কাছে এলিট ভাষায় রূপান্তর করা, অন্য ভাষাকে প্রমোট করা, জাতীয়তাবাদী এবং দেশাত্মবোধক আবেগ ছড়িয়ে দেয়া। জাতীয় স্বার্থের নামে ভুল মানদন্ড প্রতিস্থাপন করা।

(আরবী ভাষা ইসলামের প্রাণ, এ থেকে দূরে রাখার মাধ্যমে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে উম্মাহকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে)






শুক্রবার, ৬ জুন, ২০১৪

খিলাফত প্রতিষ্ঠা ওয়াজিব। এ কাজ পালন না করলে সবাই গুনাহগার হবে।

খিলাফত প্রতিষ্ঠা ওয়াজিব। এ কাজ পালন না করলে সবাই গুনাহগার হবে।

(সূত্র, দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 Jigri Simon's photo.