অবশেষে উদঘাটিত হল গোপণ রহস্য|| মিশরের সেনাপ্রধান সিসি ইজরাইলি বংশতভুত ইহুদি ও মোসাদের এজেন্ট!!
মিশরের কুখ্যাত সিসি কে ?
কি তার আসল পরিচয় ?
মিসরের সেনাবাহিনী প্রধান আল-সিসি, একজন ইহুদি এবং মোসাদের এজেন্ট!!
========================================
ইসরাইলের বিশাল প্রজেক্ট—জায়োনিস্টদের দীর্ঘদিনের চক্রান্ত ‘নীলনদ থেকে ফোরাত বা ইউফ্রেটাস নদী পর্যন্ত জায়গা’ চুরি করা — সেটা অর্ধেক পালন হয়ে গিয়েছে!!
তারা কিছুদিন আগেই নীলনদের এলাকাটা চুরি করে নিয়েছে!
সমস্যা এইটা নয় যে মিশরের ক্রিমিনাল-ইন-চিপ, জেনারেল আবদ্ আল-ফাত্তাহ আল সিসি, একজন ইহুদি। [তার মা, মালিকা তিতানি, একজন মরোক্কোর আসেফি এলাকার ইহুদি, যার অর্থ আল-সিসি একজন ইহুদি এবং ইসরাইলের স্বয়ংক্রিয় একজন নাগরিক!]
নিচের লিংক পড়লেই জানতে পারবেন: http://www.crescent-online.net/2013/09/and-the-truth-shall-set-you-free-abu-dharr-4007-articles.html
যদি মিসরীয়রা সুষ্ঠ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে একজন ইহুদিকে প্রেসিডেস্ট নির্বাচিত করতে চায়— যে রকম তারা মুসলিম ব্রাদারহুডের ক্ষেত্রে করেছিল যেখানে মুসলিম ব্রাদারহুড আইনসভার নিম্নসভায় ৭৩% ভোট, উচ্চসভায় ৮০% ভোট, প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে ৫২% ভোট এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের সংবিধান অনুমোদনে ৬৪% ভোট পেয়েছিল¬ [মিসরীয় ভোটারদের]– সেক্ষেত্রে আমার কোন সমস্যা নেই।
সমস্যা হল আল-সিসি আর ইহুদি পরিচয় এবং ইসরাইল সাথে তার যোগাযোগ মিসরীয়দের কাছে থেকে গোপন করেছে.... এবং তাদের সদ্যজাত গণতন্ত্র প্রতারণা ও গণহত্যার মাধ্যমে ধ্বংস করে দিয়েছে।
আরো বড় সমস্যা হলো: আল-সিসি নিশ্চিতভাবেই মোসাদের এজেন্ট/গোয়েন্দা। তার অর্থ আল-সিসির মিসর শুধুমাত্র নির্দয়, banana republic- ধরণের স্বৈরতন্ত্রই [বানানা রিপাবলিক =যে দেশের অর্থনীতি শুধুমাত্র এক ধরণের প্রোডাক্ট (কলা) রপ্তানির উপরই নির্ভরশীল], বরং এটা এখন ইসরাইলের দখলকৃত অঞ্চল: চির-বর্ধনশীল গ্রেটার ইসরাইলের সবচেয়ে বড় ও নতুন প্রদেশ।
এটা শুনে বিস্মত হওয়ার কোন কারণ নেই যে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত আল-সিসি কে “সকল ইহুদিদের জাতীয় বীর” বলে আখ্যায়িত করেছেন।
নিচে এটার লিংক: http://www.middleeastmonitor.com/news/middle-east/6617-israeli-ambassador-calls-al-sisi-a-qnational-hero-for-all-jewsq
আল-সিসির মামা, ইউরি সিবাঘ ১৯৪৮ থেকে ১৯৫০ পর্যন্ত Jewish Defence League (Hamagein) এ চাকরি করে, তারপর সে ইসরাইলে বসবাসের জন্য অভিবাসন করে এবং সে বেন গুরিয়নের [ইসরাইলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী] রাজনৈতিক দলের গুরত্বপূর্ণ ব্যক্তিতে পরিণত হয়।
সে ১৯৬৮ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত বিরসেবা তে ইসরাইলের লেবার পার্টির সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে!!
ইউরির বোন — আল-সিসির মা — মোসাদের মিশনে মিশরে অভিবাসন করে। সেই মিশন পূর্ণতা পায় যখন মোসাদ প্রেসিডেন্ট মুরসিকে গদিচ্যুত করে এবং এর এজেন্ট আল-সিসিকে ৩রা জুলাই, ২০১৩ তে ক্যূ এর মাধ্যমে স্থলাভিসিক্ত করে!!
পরিণতি: আল-সিসি আজীবনই মোসাদের এজেন্ট। তার মিশন ছিল আরব মুসলিম দেশের ক্ষমতার চূড়ান্ত স্থানটা গোপনে হস্তগত করা। আল-সিসি, এলি কোয়েনের বর্তমান সংস্করণ। এলি কোয়েন [১৯৬১-১৯৬৫], একজন মোসাদের স্পাই, কামাল আমিন নাম নিয়ে সিরিয়ার ক্ষমতার চুড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েছিল! সে সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা ছিল!
১৯৬৫ সালে তাকে কোর্ট মার্শাল করা হয় এবং দামাস্কাসে জনসম্মুখে ফাসি দেয়া হয়।
নিচে লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=DkS2gMWh8-Y
জর্জ হার্বাট ওয়াকার বুশ বা সিনিয়র বুশ, তার বিখ্যাত উক্তি, “যদি জনগণ সত্য ঘটনা জানতো, তাহলে তারা আমাদের রাস্তায় তেড়ে নামিয়ে নিয়ে আসতো এবং বিচার ছাড়াই ফাসিতে ঝুলিয়ে দিত”— এই উক্তি আল-সিসির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
প্রচলিত মিডিয়া ও বিশ্বস্ত সূত্রানুসারে, এটা ব্যাপকভাবে প্রচারিত যে, আল-সিসি মিসরের সেনাবাহিনীতে তার দীর্ঘদিনের চাকরিতে সে ইসরাইলের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। ৩রা জুলাই ক্যূ-এর সময়, আল-সিসি ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিলিটারিদের সাথে স্থায়ীভাবে টেলিফোনে যোগাযোগ রেখেছিল [ইসরাইল তাদের পূর্ণ সমর্থন দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেছিল এবং আরও নিশ্চয়তা দিয়েছিল যে সেনাবাহিনীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বরাদ্দ বাদ দেয়া হবে না।
উল্লেখ্য মিসরের সেনাবাহিনীর কমপক্ষে ৫,০০০ অফিসার প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নিতে যায় এবং ইসরাইলের পর মিসরই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বৈদেশিক সহায়তা পায়!]।
নিচের লিংক ভিজিট করতে পারেন: http://www.globalresearch.ca/was-washington-behind-egypts-coup-detat/5341671
[ক্যু এর সময় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে টেলিযোগাযোগ]
http://www.ynetnews.com/articles/0,7340,L-4418953,00.html
[যুক্তরাষ্ট্রের বরাদ্দ বাতিল হবে না]
মিসরে যে ক্যু হয়েছে সেটা একটা প্রোপাগান্ডা ছিল এবং ইসরাইল সেটার পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিল। ইসরাইলের সাথে যোগসূত্র স্থাপনকারী মিডিয়ার মাধ্যমে মিশরে ব্যপকভাবে অর্থায়নকৃত ক্যাম্পেইন চলে [মিসরের বড় বড় মিডিয়াগুলো ইসরাইলের তথা ইহুদিদের সাথে সম্পর্কিত]।
মিডিয়াগুলোই প্রসিডেন্ট মুরসিকে এডল্ফ হিটলারের সাথে তুলনা করছিল!
সত্যিকথা বলতে গেলে, ‘মুরসি=হিটলার’ বলে যারা প্রচরণা চালিয়ে যাচ্ছিল তারা মিশরীয় ছিলনা বরং তারা ছিল জায়োনিস্ট!
ক্যু-এর পর থেকে ইসরাইল মুক্তহস্তে আল-সিসির প্রতি প্রশংসা, টাকা-পয়সা এবং সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। মোসাদের এজেন্ট, গাজার সীমান্তের সুড়ঙ্গগুলো বন্ধ করে আল-সিসি ফিলিস্তিনের সাথে প্রায় যুদ্ধ ঘোষণা করে ফেলেছে যেহেতু এই মুক্ত সুড়ঙ্গগুলোই গাজাবাসীদের বাঁচিয়ে রাখছে। ইতোমধ্যে, আল-সিসি রথস্চাইল্ডের পুতুলদের [ডনমেহ বা গোপনে যার ইহুদি কিন্তু বাইরে মুসলিম দাবি করে, যেমন, মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক] কাছ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। এই ডনমেহ হলো সৌদি সরকার [এরা যে ইহুদি তার অনেক প্রমাণ আছে]!!
সৌদিদের সাথে ইহুদির রক্ত সম্পর্ক জানতে নিচের লিংক ভিজিট করুন:http://www.strategic-culture.org/news/2011/10/26 /the-doenmeh-the-middle-easts- most-whispered-secret-part-ii.htm
—ড. কেভিন বারেট, ভেটেরান্স টুডের একজন কলামিস্ট
_ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ_
কি তার আসল পরিচয় ?
মিসরের সেনাবাহিনী প্রধান আল-সিসি, একজন ইহুদি এবং মোসাদের এজেন্ট!!
========================================
ইসরাইলের বিশাল প্রজেক্ট—জায়োনিস্টদের দীর্ঘদিনের চক্রান্ত ‘নীলনদ থেকে ফোরাত বা ইউফ্রেটাস নদী পর্যন্ত জায়গা’ চুরি করা — সেটা অর্ধেক পালন হয়ে গিয়েছে!!
তারা কিছুদিন আগেই নীলনদের এলাকাটা চুরি করে নিয়েছে!
সমস্যা এইটা নয় যে মিশরের ক্রিমিনাল-ইন-চিপ, জেনারেল আবদ্ আল-ফাত্তাহ আল সিসি, একজন ইহুদি। [তার মা, মালিকা তিতানি, একজন মরোক্কোর আসেফি এলাকার ইহুদি, যার অর্থ আল-সিসি একজন ইহুদি এবং ইসরাইলের স্বয়ংক্রিয় একজন নাগরিক!]
নিচের লিংক পড়লেই জানতে পারবেন: http://www.crescent-online.net/2013/09/and-the-truth-shall-set-you-free-abu-dharr-4007-articles.html
যদি মিসরীয়রা সুষ্ঠ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে একজন ইহুদিকে প্রেসিডেস্ট নির্বাচিত করতে চায়— যে রকম তারা মুসলিম ব্রাদারহুডের ক্ষেত্রে করেছিল যেখানে মুসলিম ব্রাদারহুড আইনসভার নিম্নসভায় ৭৩% ভোট, উচ্চসভায় ৮০% ভোট, প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে ৫২% ভোট এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের সংবিধান অনুমোদনে ৬৪% ভোট পেয়েছিল¬ [মিসরীয় ভোটারদের]– সেক্ষেত্রে আমার কোন সমস্যা নেই।
সমস্যা হল আল-সিসি আর ইহুদি পরিচয় এবং ইসরাইল সাথে তার যোগাযোগ মিসরীয়দের কাছে থেকে গোপন করেছে.... এবং তাদের সদ্যজাত গণতন্ত্র প্রতারণা ও গণহত্যার মাধ্যমে ধ্বংস করে দিয়েছে।
আরো বড় সমস্যা হলো: আল-সিসি নিশ্চিতভাবেই মোসাদের এজেন্ট/গোয়েন্দা। তার অর্থ আল-সিসির মিসর শুধুমাত্র নির্দয়, banana republic- ধরণের স্বৈরতন্ত্রই [বানানা রিপাবলিক =যে দেশের অর্থনীতি শুধুমাত্র এক ধরণের প্রোডাক্ট (কলা) রপ্তানির উপরই নির্ভরশীল], বরং এটা এখন ইসরাইলের দখলকৃত অঞ্চল: চির-বর্ধনশীল গ্রেটার ইসরাইলের সবচেয়ে বড় ও নতুন প্রদেশ।
এটা শুনে বিস্মত হওয়ার কোন কারণ নেই যে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত আল-সিসি কে “সকল ইহুদিদের জাতীয় বীর” বলে আখ্যায়িত করেছেন।
নিচে এটার লিংক: http://www.middleeastmonitor.com/news/middle-east/6617-israeli-ambassador-calls-al-sisi-a-qnational-hero-for-all-jewsq
আল-সিসির মামা, ইউরি সিবাঘ ১৯৪৮ থেকে ১৯৫০ পর্যন্ত Jewish Defence League (Hamagein) এ চাকরি করে, তারপর সে ইসরাইলে বসবাসের জন্য অভিবাসন করে এবং সে বেন গুরিয়নের [ইসরাইলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী] রাজনৈতিক দলের গুরত্বপূর্ণ ব্যক্তিতে পরিণত হয়।
সে ১৯৬৮ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত বিরসেবা তে ইসরাইলের লেবার পার্টির সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে!!
ইউরির বোন — আল-সিসির মা — মোসাদের মিশনে মিশরে অভিবাসন করে। সেই মিশন পূর্ণতা পায় যখন মোসাদ প্রেসিডেন্ট মুরসিকে গদিচ্যুত করে এবং এর এজেন্ট আল-সিসিকে ৩রা জুলাই, ২০১৩ তে ক্যূ এর মাধ্যমে স্থলাভিসিক্ত করে!!
পরিণতি: আল-সিসি আজীবনই মোসাদের এজেন্ট। তার মিশন ছিল আরব মুসলিম দেশের ক্ষমতার চূড়ান্ত স্থানটা গোপনে হস্তগত করা। আল-সিসি, এলি কোয়েনের বর্তমান সংস্করণ। এলি কোয়েন [১৯৬১-১৯৬৫], একজন মোসাদের স্পাই, কামাল আমিন নাম নিয়ে সিরিয়ার ক্ষমতার চুড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েছিল! সে সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা ছিল!
১৯৬৫ সালে তাকে কোর্ট মার্শাল করা হয় এবং দামাস্কাসে জনসম্মুখে ফাসি দেয়া হয়।
নিচে লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=DkS2gMWh8-Y
জর্জ হার্বাট ওয়াকার বুশ বা সিনিয়র বুশ, তার বিখ্যাত উক্তি, “যদি জনগণ সত্য ঘটনা জানতো, তাহলে তারা আমাদের রাস্তায় তেড়ে নামিয়ে নিয়ে আসতো এবং বিচার ছাড়াই ফাসিতে ঝুলিয়ে দিত”— এই উক্তি আল-সিসির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
প্রচলিত মিডিয়া ও বিশ্বস্ত সূত্রানুসারে, এটা ব্যাপকভাবে প্রচারিত যে, আল-সিসি মিসরের সেনাবাহিনীতে তার দীর্ঘদিনের চাকরিতে সে ইসরাইলের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। ৩রা জুলাই ক্যূ-এর সময়, আল-সিসি ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিলিটারিদের সাথে স্থায়ীভাবে টেলিফোনে যোগাযোগ রেখেছিল [ইসরাইল তাদের পূর্ণ সমর্থন দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেছিল এবং আরও নিশ্চয়তা দিয়েছিল যে সেনাবাহিনীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বরাদ্দ বাদ দেয়া হবে না।
উল্লেখ্য মিসরের সেনাবাহিনীর কমপক্ষে ৫,০০০ অফিসার প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নিতে যায় এবং ইসরাইলের পর মিসরই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বৈদেশিক সহায়তা পায়!]।
নিচের লিংক ভিজিট করতে পারেন: http://www.globalresearch.ca/was-washington-behind-egypts-coup-detat/5341671
[ক্যু এর সময় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে টেলিযোগাযোগ]
http://www.ynetnews.com/articles/0,7340,L-4418953,00.html
[যুক্তরাষ্ট্রের বরাদ্দ বাতিল হবে না]
মিসরে যে ক্যু হয়েছে সেটা একটা প্রোপাগান্ডা ছিল এবং ইসরাইল সেটার পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিল। ইসরাইলের সাথে যোগসূত্র স্থাপনকারী মিডিয়ার মাধ্যমে মিশরে ব্যপকভাবে অর্থায়নকৃত ক্যাম্পেইন চলে [মিসরের বড় বড় মিডিয়াগুলো ইসরাইলের তথা ইহুদিদের সাথে সম্পর্কিত]।
মিডিয়াগুলোই প্রসিডেন্ট মুরসিকে এডল্ফ হিটলারের সাথে তুলনা করছিল!
সত্যিকথা বলতে গেলে, ‘মুরসি=হিটলার’ বলে যারা প্রচরণা চালিয়ে যাচ্ছিল তারা মিশরীয় ছিলনা বরং তারা ছিল জায়োনিস্ট!
ক্যু-এর পর থেকে ইসরাইল মুক্তহস্তে আল-সিসির প্রতি প্রশংসা, টাকা-পয়সা এবং সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। মোসাদের এজেন্ট, গাজার সীমান্তের সুড়ঙ্গগুলো বন্ধ করে আল-সিসি ফিলিস্তিনের সাথে প্রায় যুদ্ধ ঘোষণা করে ফেলেছে যেহেতু এই মুক্ত সুড়ঙ্গগুলোই গাজাবাসীদের বাঁচিয়ে রাখছে। ইতোমধ্যে, আল-সিসি রথস্চাইল্ডের পুতুলদের [ডনমেহ বা গোপনে যার ইহুদি কিন্তু বাইরে মুসলিম দাবি করে, যেমন, মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক] কাছ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। এই ডনমেহ হলো সৌদি সরকার [এরা যে ইহুদি তার অনেক প্রমাণ আছে]!!
সৌদিদের সাথে ইহুদির রক্ত সম্পর্ক জানতে নিচের লিংক ভিজিট করুন:http://www.strategic-culture.org/news/2011/10/26 /the-doenmeh-the-middle-easts- most-whispered-secret-part-ii.htm
—ড. কেভিন বারেট, ভেটেরান্স টুডের একজন কলামিস্ট
_ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ_
