শাহাবাগিদের সমর্থনকারী লুকায়িত নাস্তিক Orpa Ronyর কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করলাম ।।
একটু বড় , তবে কষ্ট করে পড়ে আপনারাও একটু উত্তর দিয়েন ।
১.হেফাজতে ইসলাম যেখানে একজন মুসলিম নারীকে হেফাজত করতে পারেনা সেখানে ইসলামকে হেফাজত করতে পারার নিশ্চয়তা কতটুকু ??
উত্তর - হেফাজত ইসলাম যখন সমস্ত মুসলিম নারীকে হেফাজতের কথা বলতেছে তখন সেটার বিরোধিতা এই নারীরাই করতেছে মধ্যযুগীয় বলে । আর একটা বিছিন্ন ঘটনা , আর সেটা কারা করছে সেটারও কোন যৌতিক প্রমান নেই সেখানে এর দায় ভার হেফাজতে ইসলামের উপর চাপানোর মানে কি ? আর যদি এই ভাবে দেখি , একজন বেপর্দা নারী কেন সেখানে গেলো ? যেখানে এই বেপর্দা নিয়েই আন্দোলন হচ্ছে ।
২.যে ইস্যুতে দেশ আজ দৌদুল্যমান সেই মহান ইস্যু "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই" দাবীটি কেনো হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবীতে নেই ??
উত্তর - যেটা প্রক্রিয়াধিন আছে সরকারি পর্যায়ে সেইটা নিয়ে আবার নাচার কারন কি ? সংবিধান অনুযায়ী দেশের আইনের প্রতি যার শ্রদ্ধা নেই সে দেশদ্রোহী হিসেবে গন্য হয় । সেখানে শাহাবাগি নাস্তিক কুত্তা গুলা দেশের আইন কে চ্যালেঞ্জ করছে । এখানে সরকারি মদদ আছে বলেই তারা এখনও দেশদ্রোহী মামলা খায় না । রাজনীতি ২/৪ লাইন আমরাও জানি কইলাম ।
৩. শাহবাগকে যখন জনসাধারন এবং আওয়ামীলীগ খাদ্য এবং পানীয় দিয়ে নৈতিক দৈহিকভাবে সমর্থন দিয়েছিলো তখন যদি ঐটা দলীয় হয়ে থাকে তাহলে আজকে যখন হেফাজতে ইসলামকে জামায়াত অর্থ দিয়ে ,বিএনপি খাদ্য দিয়ে সাহায্য করে সেটা কি দলীয় নয় ?
উত্তর - প্রথম কথা , স্পষ্ট কোন প্রমান এখনও সরকার দেখাতে পারে নায় যেইটা দিয়ে বুঝা যায় হেফাজতের পিছনে জামায়াত ও বি-এন-পি আছে । এই ২ দল সমর্থন দিছে কারন ১৩ দফা , এইটা ইসলাম রক্ষার কর্মসূচি , কাউকে জেল থেকে বের করার না । আর খাদ্য পানির পাশা পাশি শাহাবাগে বাম দল গুলোর পতাকা পত পত করে উড়তে দেখা গেছে , সরকারি বাহিনীর পাহারা ছিল, এতে বুঝাই যাই অর্থ আর নিরাপত্তা সরকার নিজে দিছে । অথচ হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনে শুধু মাত্র বাংলাদেশের পতাকা ছিল , কোন রাজনৈতিক দলের না । আর খাদ্য পানিয় এরশাদ দিবে বলে আগেই ঘোষণা দিছে , আর সেটা মুসলিম হিসেবে সবার দেয়া উচিত । যেমন পুরান ঢাকা , নারায়ানগঞ্জের বাসিন্দারাও একই কাজ করছে , তারাও কি তাহলে কোন দলের লোক ?
৪. নাস্তিক ব্লগারদের ফাসি চাইতে গিয়ে সরকারকে হুমকি দিয়ে এসেছেন গনজাগরন মঞ্চ বন্ধ করে দিতে ।প্রশ্ন হলো ,ধর্ম অবমাননা করেছে ব্যক্তি নাস্তিক কিন্তু গনজাগরন ম্ঞ্চ থেকে তো কোনভাবেই ধর্মকে অবমাননা করা হয়নি ।তাহলে কিসের প্রেক্ষিতে আপনারা গনজাগরন মঞ্চ বন্ধের পক্ষে থাকেন ?
উত্তর - কিসের প্রেক্ষিতে ? আচ্ছা আপনারে ক্লাস করাই - একটা বাড়িতে ১০ টা ভাড়াটিয়া আছে । এখন ঐ বাড়ির উপর যদি কোন সমস্যা আসে তবে সেইটা কি ভাড়াটিয়া দেখবে নাকি বাড়ীওয়ালা ? উত্তর আসে বাড়ীওয়ালা , কারন ভাড়াটিয়া এই বাড়ির দ্বায়িত্বে না , সে শুধু ভাড়া দেয় , মসিবত সব বাড়ীওয়ালার । এখন শাহাবাগের বাড়ীওয়ালা সব প্রথম শ্রেণীর নাস্তিক । এখন আমরা কি শাহাবাগের বাড়ীওয়ালাকে ধরবো না ? জবাব দিবি কইয়া দিলাম নইলে বুঝিছ ।
৫. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে কোন দফা দেননা বরং যুদ্ধাপরাধীদেরকে বাঁচানোর লক্ষ্যে গনজাগরন মঞ্চকে নিষিদ্ধ করেন ।এর তো একটাই মানে হতে পারে আপনারা জামায়াতের মদদপুষ্টে পুষ্টিত ।তাই না ?
উত্তর - আসলে চুলকানি থাকলে যা হয় , হেফাজতে ইসলাম জামায়াতের লোক আর কাদের সিদ্দিকি রাজাকার । আসলে তোরা পারোছরে । কারন কথাতো একটাও মুখ দিয়া কছ না , কোই দিয়া কছ সেইটা মানুষ জানে । আগেই বলছি , যেইটা প্রক্রিয়াধিন সেইটা নিয়া কান্না করার কিছু দেখি না । কিন্তু যেই নেতারা আমার রাসুল (সঃ) কে আর আল্লাহ্ কে গালি দিছে সেই নেতার ছায়া দেখলেও আমরা ২/৪ রাউন্ড গুলি মারুম কসম । আর শাহাবাগে সেই নেতা গুলা পাঞ্জাবি পইড়া ঘুরে । এইবার ক শাহাবাগ কেন বন্ধ করুম না ?
৬. একজন মুসলিম হিসেবে আমাকে যেমন লংমার্চকে সমর্থন করতে হয় ঠিক সেইভাবেই একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে আমাকে দলীয় লংমার্চ প্রত্যাখান করতে হয় ।কেননা ,গনজাগরনমঞ্চ দলীয় হলেও এর একটি সুনির্দিষ্ট দাবী আছে ।কিন্তু লংমার্চ করে নাস্তিকদের বিচারের নাম করে জামায়াতকে হেফাজত করা হবে ,নারী সাংবাদিককে বেড়দক পেটানো হবে ,মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ভাঙ্গা হবে ,যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া হবেনা সেটা মেনে নেওয়া যায়না ।মেনে নেওয়া যায় ?
উত্তর - আসলে ইসলাম সম্মন্ধে নুন্যতোম জ্ঞ্যান না থাকলে যায় হয় , আর হইব কেমনে , মায় যায় রাইতে পার্টিতে আর পোলা দেখে ব্লু ফিল্ম , সে কি ভাবে ইসলাম জানবে ? মুসলিম মানে ইসলামের নিয়মে জীবন , আর ইসলাম মানে দেশ প্রেম এমনেই আসে । সেই কারনে দেশদ্রোহী আর অন্য যেই হোক বিচার চাওয়া স্বাভাবিক । যেহেতু নিজেকে মুসলিম দাবি করলা , তাহলে বলি , হাদিসে আছে নিজের মুসলিম ভাইকে কাফেরদের হাতে তুলে দিও না , যদি সে ভাই জালিম হয় তবুও । এখন নাস্তিক সমর্থন দেয়া মানে আমিও নাস্তিক , এখন আমি কি ভাবে নাস্তিকের হাতে নিজের ভাইয়ের বিচার করার দ্বায়িত্ব দেই ? মুসলিম দাবি করলে এই হাদিস মানা উচিত মনু । আর লংমার্চে এখন পর্যন্ত জামায়াত বাচাও স্লোগান দেয়া হইছে ; এমন কেউ দেখাতে পারলে আমি নাকে ক্ষত দিমু সবার সামনে । মহিলার কথা আগেই বলছি ।
পরিশেষে একটা কথাই বলি । দেশপ্রেমিক হবার আগে মুসলিম হওয়া জরুরি । কারন মুসলিম মানেই তুমি দেশপ্রেমিক হতে বাধ্য । হয়তো বলবা , জামায়াত নেতারা দেশদ্রোহী , তাহলে তারা মুসলিম না । উত্তর দেই ,আরে পাগলা তখন কি দেশ ছিল ? দেশতো পাইলাম ১৯৭১ইং ডিসেম্বারে । জামায়াত নেতারা পূর্ব পাকিস্তানের অংশ ধইরা রাখতে চাইছিল , বাংলাদেশ না । এইটা ভুইলা গেলে চলবে না ।
একটু বড় , তবে কষ্ট করে পড়ে আপনারাও একটু উত্তর দিয়েন ।
১.হেফাজতে ইসলাম যেখানে একজন মুসলিম নারীকে হেফাজত করতে পারেনা সেখানে ইসলামকে হেফাজত করতে পারার নিশ্চয়তা কতটুকু ??
উত্তর - হেফাজত ইসলাম যখন সমস্ত মুসলিম নারীকে হেফাজতের কথা বলতেছে তখন সেটার বিরোধিতা এই নারীরাই করতেছে মধ্যযুগীয় বলে । আর একটা বিছিন্ন ঘটনা , আর সেটা কারা করছে সেটারও কোন যৌতিক প্রমান নেই সেখানে এর দায় ভার হেফাজতে ইসলামের উপর চাপানোর মানে কি ? আর যদি এই ভাবে দেখি , একজন বেপর্দা নারী কেন সেখানে গেলো ? যেখানে এই বেপর্দা নিয়েই আন্দোলন হচ্ছে ।
২.যে ইস্যুতে দেশ আজ দৌদুল্যমান সেই মহান ইস্যু "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই" দাবীটি কেনো হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবীতে নেই ??
উত্তর - যেটা প্রক্রিয়াধিন আছে সরকারি পর্যায়ে সেইটা নিয়ে আবার নাচার কারন কি ? সংবিধান অনুযায়ী দেশের আইনের প্রতি যার শ্রদ্ধা নেই সে দেশদ্রোহী হিসেবে গন্য হয় । সেখানে শাহাবাগি নাস্তিক কুত্তা গুলা দেশের আইন কে চ্যালেঞ্জ করছে । এখানে সরকারি মদদ আছে বলেই তারা এখনও দেশদ্রোহী মামলা খায় না । রাজনীতি ২/৪ লাইন আমরাও জানি কইলাম ।
৩. শাহবাগকে যখন জনসাধারন এবং আওয়ামীলীগ খাদ্য এবং পানীয় দিয়ে নৈতিক দৈহিকভাবে সমর্থন দিয়েছিলো তখন যদি ঐটা দলীয় হয়ে থাকে তাহলে আজকে যখন হেফাজতে ইসলামকে জামায়াত অর্থ দিয়ে ,বিএনপি খাদ্য দিয়ে সাহায্য করে সেটা কি দলীয় নয় ?
উত্তর - প্রথম কথা , স্পষ্ট কোন প্রমান এখনও সরকার দেখাতে পারে নায় যেইটা দিয়ে বুঝা যায় হেফাজতের পিছনে জামায়াত ও বি-এন-পি আছে । এই ২ দল সমর্থন দিছে কারন ১৩ দফা , এইটা ইসলাম রক্ষার কর্মসূচি , কাউকে জেল থেকে বের করার না । আর খাদ্য পানির পাশা পাশি শাহাবাগে বাম দল গুলোর পতাকা পত পত করে উড়তে দেখা গেছে , সরকারি বাহিনীর পাহারা ছিল, এতে বুঝাই যাই অর্থ আর নিরাপত্তা সরকার নিজে দিছে । অথচ হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনে শুধু মাত্র বাংলাদেশের পতাকা ছিল , কোন রাজনৈতিক দলের না । আর খাদ্য পানিয় এরশাদ দিবে বলে আগেই ঘোষণা দিছে , আর সেটা মুসলিম হিসেবে সবার দেয়া উচিত । যেমন পুরান ঢাকা , নারায়ানগঞ্জের বাসিন্দারাও একই কাজ করছে , তারাও কি তাহলে কোন দলের লোক ?
৪. নাস্তিক ব্লগারদের ফাসি চাইতে গিয়ে সরকারকে হুমকি দিয়ে এসেছেন গনজাগরন মঞ্চ বন্ধ করে দিতে ।প্রশ্ন হলো ,ধর্ম অবমাননা করেছে ব্যক্তি নাস্তিক কিন্তু গনজাগরন ম্ঞ্চ থেকে তো কোনভাবেই ধর্মকে অবমাননা করা হয়নি ।তাহলে কিসের প্রেক্ষিতে আপনারা গনজাগরন মঞ্চ বন্ধের পক্ষে থাকেন ?
উত্তর - কিসের প্রেক্ষিতে ? আচ্ছা আপনারে ক্লাস করাই - একটা বাড়িতে ১০ টা ভাড়াটিয়া আছে । এখন ঐ বাড়ির উপর যদি কোন সমস্যা আসে তবে সেইটা কি ভাড়াটিয়া দেখবে নাকি বাড়ীওয়ালা ? উত্তর আসে বাড়ীওয়ালা , কারন ভাড়াটিয়া এই বাড়ির দ্বায়িত্বে না , সে শুধু ভাড়া দেয় , মসিবত সব বাড়ীওয়ালার । এখন শাহাবাগের বাড়ীওয়ালা সব প্রথম শ্রেণীর নাস্তিক । এখন আমরা কি শাহাবাগের বাড়ীওয়ালাকে ধরবো না ? জবাব দিবি কইয়া দিলাম নইলে বুঝিছ ।
৫. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে কোন দফা দেননা বরং যুদ্ধাপরাধীদেরকে বাঁচানোর লক্ষ্যে গনজাগরন মঞ্চকে নিষিদ্ধ করেন ।এর তো একটাই মানে হতে পারে আপনারা জামায়াতের মদদপুষ্টে পুষ্টিত ।তাই না ?
উত্তর - আসলে চুলকানি থাকলে যা হয় , হেফাজতে ইসলাম জামায়াতের লোক আর কাদের সিদ্দিকি রাজাকার । আসলে তোরা পারোছরে । কারন কথাতো একটাও মুখ দিয়া কছ না , কোই দিয়া কছ সেইটা মানুষ জানে । আগেই বলছি , যেইটা প্রক্রিয়াধিন সেইটা নিয়া কান্না করার কিছু দেখি না । কিন্তু যেই নেতারা আমার রাসুল (সঃ) কে আর আল্লাহ্ কে গালি দিছে সেই নেতার ছায়া দেখলেও আমরা ২/৪ রাউন্ড গুলি মারুম কসম । আর শাহাবাগে সেই নেতা গুলা পাঞ্জাবি পইড়া ঘুরে । এইবার ক শাহাবাগ কেন বন্ধ করুম না ?
৬. একজন মুসলিম হিসেবে আমাকে যেমন লংমার্চকে সমর্থন করতে হয় ঠিক সেইভাবেই একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে আমাকে দলীয় লংমার্চ প্রত্যাখান করতে হয় ।কেননা ,গনজাগরনমঞ্চ দলীয় হলেও এর একটি সুনির্দিষ্ট দাবী আছে ।কিন্তু লংমার্চ করে নাস্তিকদের বিচারের নাম করে জামায়াতকে হেফাজত করা হবে ,নারী সাংবাদিককে বেড়দক পেটানো হবে ,মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ভাঙ্গা হবে ,যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া হবেনা সেটা মেনে নেওয়া যায়না ।মেনে নেওয়া যায় ?
উত্তর - আসলে ইসলাম সম্মন্ধে নুন্যতোম জ্ঞ্যান না থাকলে যায় হয় , আর হইব কেমনে , মায় যায় রাইতে পার্টিতে আর পোলা দেখে ব্লু ফিল্ম , সে কি ভাবে ইসলাম জানবে ? মুসলিম মানে ইসলামের নিয়মে জীবন , আর ইসলাম মানে দেশ প্রেম এমনেই আসে । সেই কারনে দেশদ্রোহী আর অন্য যেই হোক বিচার চাওয়া স্বাভাবিক । যেহেতু নিজেকে মুসলিম দাবি করলা , তাহলে বলি , হাদিসে আছে নিজের মুসলিম ভাইকে কাফেরদের হাতে তুলে দিও না , যদি সে ভাই জালিম হয় তবুও । এখন নাস্তিক সমর্থন দেয়া মানে আমিও নাস্তিক , এখন আমি কি ভাবে নাস্তিকের হাতে নিজের ভাইয়ের বিচার করার দ্বায়িত্ব দেই ? মুসলিম দাবি করলে এই হাদিস মানা উচিত মনু । আর লংমার্চে এখন পর্যন্ত জামায়াত বাচাও স্লোগান দেয়া হইছে ; এমন কেউ দেখাতে পারলে আমি নাকে ক্ষত দিমু সবার সামনে । মহিলার কথা আগেই বলছি ।
পরিশেষে একটা কথাই বলি । দেশপ্রেমিক হবার আগে মুসলিম হওয়া জরুরি । কারন মুসলিম মানেই তুমি দেশপ্রেমিক হতে বাধ্য । হয়তো বলবা , জামায়াত নেতারা দেশদ্রোহী , তাহলে তারা মুসলিম না । উত্তর দেই ,আরে পাগলা তখন কি দেশ ছিল ? দেশতো পাইলাম ১৯৭১ইং ডিসেম্বারে । জামায়াত নেতারা পূর্ব পাকিস্তানের অংশ ধইরা রাখতে চাইছিল , বাংলাদেশ না । এইটা ভুইলা গেলে চলবে না ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন